গা হিম করা তথ্য ফাঁ’’স! রংপুরের চার খু’’নে নতুন মোড়—ম’র্গে’’র ডোমের দাবি, আগামী চক্রবর্তি ও তার মায়ের শরীরে ধ’র্ষ’ণে’’’’র আলামত পাওয়া গেছে।
একাত্তর টিভির ক্যামেরার অনুসন্ধানে ম’র্গে’’র এক ডো’মে’’র বক্তব্য সামনে এসেছে । রংপুর মেডিকেল কলেজের সেই ডোমের বক্তব্য অনুযায়ী, নি’হ’’ত গণপতি চক্রবর্তীর মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর শরীরে ধ’র্ষ’’’ণে’র আলামত দেখতে পেয়েছিলেন তিনি। এমনকি নি’হ’’ত মায়ের শরীরেও ধ’র্ষ’/ণে’’’’র আলামত এবং বী’র্যে’’/র উপস্থিতি দেখতে পাওয়ার দাবি করেছেন ওই ডো/ম।
ডোমের দাবি, বিষয়টি চিকিৎসককে জানালে তিনি তাঁকে ওই নমুনা সংরক্ষণ করতে বলেন। ডোমের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ম’’/র্গে ম’র’দে’’হ কাটার কাজ করছেন। তাঁর দাবি, চিকিৎসক তাঁকে পরীক্ষা করে দেখতে বলেন কোনো বী’//র্য পাওয়া যায় কি না। পরে তিনি বী’’র্যে’’/র মতো একটি নমুনা দেখতে পান এবং চিকিৎসকের নির্দেশে সেটি সংরক্ষণ করেন।
ডোম আরও দাবি করেন, বিষয়টি বাইরে প্রকাশ না করতে তাঁকে বলা হয়েছিল।
কিন্তু এখানেই তৈরি হচ্ছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
কারণ পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছিল, নিহত দুই নারীর শরীরে ধ’র্ষ’ণে’’/র কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে ম’র্গে’’//র ডো’মে’র কথিত বক্তব্যে উঠে আসছে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দাবি।
তাহলে প্রশ্ন—দুই পক্ষের বক্তব্যের মধ্যে এত বড় পার্থক্য#সনাতন
এ বিষয়ে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বাবুল কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের সন্দেহ ছিল। ধ’র্ষ’’’’ণ কি না, স্পা’’’’র্ম আছে কি না। সোয়াবটাকে নিতে বলা হয়েছে। তখন সে ওটা নিয়েছে। সেখান থেকে ফিসারের মতো আসছে। তাঁর কাছে এটা এরকম মনে হয়েছে। কিন্তু আমরা আলামত সংগ্রহ করে মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে পাঠিয়েছিলাম। সেটার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। সেখানে কোনো স্পা’’’র্ম পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন রেডি।’
রংপুরের মানুষ জানতে চায়—
পুলিশ যে গল্প বলছে, সেটিই কি পুরো সত্য?
নাকি চার খু’নে’’//র আড়ালে লুকিয়ে আছে আরও ভ’য়ং’ক’’র কোনো ঘটনা?
আর ম’র্গে’’র ডো’মে’’র এই দাবি—এটি কি নিছক একটি বক্তব্য, নাকি সত্যিই খুলে দিতে পারে রংপুরের চা’র খু’নে’’র অন্ধকার রহস্যের নতুন দরজা?
উত্তর এখন তদন্তের হাতে।