বাইকে দুই ত’রুণের মাঝে অচেতন ত/রুণী, ঝু/লছে পা—ম’ধ্যরাতের ভাইরাল দৃ/শ্য নিয়ে যা জানা যাচ্ছে…see more

বাইকে দুই তরুণের মাঝে অচেতন তরুণী, ঝুলছে পা—মধ্যরাতের ভাইরাল দৃশ্য নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
মধ্যরাতে ঢাকা-টঙ্গী মহাসড়কে একটি মোটরসাইকেলে দুই তরুণের মাঝে এক তরুণীকে অচেতন অবস্থায় বহনের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মোটরসাইকেলের মাঝখানে থাকা তরুণীর একটি পা নিচের দিকে ঝুলে থাকতে দেখা যায়। পেছনে থাকা আরেক তরুণ তাকে শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন। দৃশ্যটি দেখে অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়—তরুণী কি অচেতন, নাকি তাকে মৃত অবস্থায় কোথাও নেওয়া হচ্ছিল?

ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভোররাতের। মাদরাসাতুল মাদীনা-বগুড়ার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি মনোয়ার হোসেন জানান, উমরার সফর শেষে বগুড়ায় ফেরার পথে তিনি গাড়ি থেকে মোটরসাইকেলটি দেখতে পান। পরে তিনি ঘটনাটির ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আনার চেষ্টা করেন।

তার বর্ণনা অনুযায়ী, রাত প্রায় ৩টার দিকে উত্তরার আব্দুল্লাহপুর পার হয়ে টঙ্গীর দিকে মোটরসাইকেলটি দেখা যায়। সামনে একজন তরুণ মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন, মাঝখানে ছিলেন তরুণী এবং পেছনে থাকা আরেক তরুণ তাকে ধরে রেখেছিলেন। তরুণীকে অচেতন বা মৃত মনে হওয়ায় তিনি বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন মন্তব্যকারী দাবি করেন, তরুণী নাকি উত্তরার একটি বারে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং পরে তাকে সেখান থেকে বের করে আনা হয়। অন্য একজন মন্তব্যকারীও দাবি করেন, ভোররাতে ওই তরুণদের তিনি দেখেছিলেন। তবে এসব মন্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে। টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে এবং তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তাই এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না যে তরুণী কেন ওই অবস্থায় মোটরসাইকেলে ছিলেন বা তাঁর শারীরিক অবস্থা তখন কেমন ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনুমানকে সত্য ঘটনা হিসেবে প্রচার না করে পুলিশের তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত।

মধ্যরাতের ওই অস্বাভাবিক দৃশ্যের পেছনে আসলে কী ঘটেছিল—পুলিশের তদন্ত শেষ হলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হতে পারে।

Author: Banglar Somoy

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *