স্বামী-সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দা*বিতে অবস্থান দুই সন্তানের মায়ের, আর প্রেমিকই বাড়ি ছেড়ে উধা*ও!
একটা গান শুনেছিলাম—“লা*গের আশা করিয়া তোমার ভাতারের ভাত চাঙ্গে!” আজ যেন সেই গানের কথাই বাস্তব ঘটনার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। যে প্রেমিকের আশায় স্বামী-সন্তান রেখে তাঁর বাড়িতে বি*য়ের দা*বি নিয়ে হাজির হলেন এক নারী, সেই প্রেমিকই তাঁকে বাড়িতে রেখে উধাও হয়ে গেছেন! ঘটনাটি ঘটেছে ভোলার দৌলতখানে, আর এ নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা-স*মালোচনা।
ভোলার দৌলতখান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে চুনু মিয়ার ছেলে ফাহাদের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নিয়েছেন ইতি বেগম নামে এক গৃহবধূ। তিনি ৪৩ নম্বর উত্তর বিজয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাইমুল হাসানের স্ত্রী এবং দুই সন্তানের মা।
ইতি বেগমের দাবি, ফাহাদের সঙ্গে তাঁর প্রায় ছয় মাসের প্রে*মের স*ম্পর্ক রয়েছে। তাঁর অ*ভিযোগ, ফাহাদ তাঁকে বিয়ের প্র*তিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্র*তিশ্রুতির ভিত্তিতেই তিনি বিয়ের দা*বিতে ফাহাদের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। তবে ঘটনার পর থেকে ফাহাদ বাড়িতে নেই বলে জানা গেছে।
সবচেয়ে আলোচনার বিষয় হলো, ইতি বেগমের স্বামী রয়েছেন, রয়েছে দুই সন্তান। তারপরও তিনি কেন এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নিলেন? অন্যদিকে, যাঁর প্রতিশ্রুতির ওপর ভরসা করে তিনি সেখানে গেছেন বলে দাবি করছেন, সেই ফাহাদই যদি বাড়িতে না থাকেন, তাহলে এই সম্পর্কের পরিণতি কী হবে?
এখন সামনে আসছে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একজন মায়ের এমন সিদ্ধান্তের প্র*ভাব তাঁর দুই স*ন্তানের জীবনে কীভাবে পড়বে? সন্তানদের ভবিষ্যৎ, পারিবারিক সম্পর্ক এবং দায়িত্ববোধ—সবকিছুই কি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে না?
শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন একটাই—যে প্রেমের আশায় এত বড় সিদ্ধান্ত, সেই প্রেমিকই যদি পাশে না থাকেন, তাহলে এই সম্পর্কের পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? ঘটনাটি আমাদের সামনে পারিবারিক সম্পর্ক, প্রতিশ্রুতি, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেছে